BD News Entertainment News

অনুষ্কা শেট্টির সুন্দর একটি জীবন জিনি দেশে বিদেশে জনপ্রিও

অনুষ্কা শেট্টি ২০০৫ সালে একটি তেলেগু ছবি সুপার দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন। তিনি অসংখ্য তেলুগু ছবি যেমন বিক্রমারকুডু (২০০৬), অরুন্ধতি (২০০৯) এবং ভেধাম (২০১০) নায়িকা প্রধান হিসেবে কাজ করেন। এরকম অসংখ্য উচ্চ-বাজেট সম্পন্ন ছবিতে কাজের সুবাদে তিনি নিজেকে তেলেগু চলচ্চিত্রে এক অনন্য মাত্রায় নিয়ে আসেন এবং প্রথম সারির নায়িকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। অরুন্ধতি (২০০৯ সাল) ছবির চরিত্রের জন্য টাইটেল চরিত্র এবং ভেদমছবিতে সারোজা চরিত্রে অভিনয় করে উচ্চ প্রশংসিত হন। যা তাঁকে দুটি ফিল্মফেয়ার, একটি নন্দি এবং দুটি সিনেমা পুরস্কার (CineMAA Awards) যোগায়। ২০১০ সালে, আনুশ্‌কা তামিল ছবি সিঙ্গম (২০১০) এবং সিঙ্ঘম ২ (২০১৩) সিকুয়াল ছবিতেও অভিনয় করে সাফল্য পান। ছবি দুটিই ব্যবসায়িক সাফল্যের মুখ দেখে এবং ভানাম (২০১১) ও দৈভা থিরুমগল(২০১১) ছবি দুটিতেও অভিনয় করে অনেক প্রশংসা কুরান।ভারতের অন্যতম ব্যবসাসফল ছবি বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশনএর জন্য তিনি অধিক সু-পরিচিত।

প্রাথমিক জীবন কাহিনী:

আনুশ্‌কা শেঠি হায়েদ্রাবাদে অন্নপূর্ণা স্টুডিওতে টিচ্‌এইডস এনিমেশনস্‌-এর জন্য কন্ঠবন্দী হন।

অনুষ্কা শেট্টির জন্ম হয় মাঙ্গালোর, কর্ণাটকে। অনুষ্কা এথনিক টুলুভা বেল্লিপাডি উরামালু গুথু পরিবার থেকে আসেন। তাঁর পিতামাতা হলেন প্রফুল্লা এবং এ এন ভিত্তাল শেট্টি। তাঁর দুই ভাই রয়েছে গুণরঞ্জন শেট্টি ও সাঁই রমেশ শেট্টি যিনি একজন কস্‌মেটিক সার্জন (শল্যচিকিৎসক)।আনুশ্‌কা বেঙ্গলুরুতেতাঁর স্কুল জীবন পার করেন এবং মাউন্ট কার্মেল কলেজ, বেঙ্গালোর থেকে ব্যাচেলর অব কম্পিউটার এপ্লিক্যাশনস্‌ শেষ করেন। তিনি ভারত ঠাকুর থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন যোগ প্রশিক্ষকও ছিলেন।

চরিত্রহীন জীবন কাহিনী:

অনুষ্কা শেট্টি ২০০৫ সালে পুরি জগন্নাথের তেলেগু ছবি সুপারদিয়ে অভিনয় জীবনে পদচারণা শুরু করেন, যেখানে তাঁকে আক্কিনেনি নাগার্জূন ও আয়েশা টাকিয়ার সাথে অভিনয় করতে দেখা যায়। ছবিটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও ইন্ডিয়াগ্লিটজ্‌-এ বলা হয় – আয়েশা ও আনুশ্‌কা দুজনেই অসাধারণ কাজ করেন। অনুষ্কা একই বছরে অন্য আরেকটি ছবি মহা নন্দিতে শ্রীহরি ও সুমন্তের বিপরীতে অভিনয় করেন। ছবিটি নিয়েও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ২০০৬ সালে তাঁর চারটি ছবি মুক্তি পেয়েছিলো, প্রথমে এস. এস. রাজামৌলিরভিক্রমারকুডু যেখানে তিনি রবি তেজার সঙ্গে জোট বেঁধেছিলেন। ছবিটি বিশাল সাফল্য পায় এবং তাঁকে আন্দ্র প্রদেশে জনপ্রিয় করে তুলতে সাহায্য করে।Nowrunning.com এর কিশোর উল্লেখ করেন, “রবি তেজারনিখুঁত অভিনয় ও অনুষ্কা শেট্টির কামত্তপূর্ণ অভিনয়ই ছবিটির উচ্চ পয়েন্ট প্রাপ্তির কারণ। রভি তেজার মধ্যে সেসকল কলা উপস্থিত যা একজন নায়কের থাকা প্রয়োজন এবং অনুষ্কা শেট্টির সে সকল গুণাবলী বিদ্যমান যা একজন নারীর থাকা উচিত।”সিফি বলেন, অনুষ্কা হলেন নির্ধারিতভাবে একজন লক্ষ্যণীয়া।”” তিনি তাঁর পরবর্তী ছবি আস্ট্রাম, যেটি ১৯৯৯ সালের হিন্দি ছবি সারফারোশ ছবির পুনঃনির্মাণ, যার মধ্য দিয়ে তিনি তামিল চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছিলেন। সুন্দার সি পরিচালিত অ্যাকশন ছবি ‘রেন্ডু’তে অভিনয় করেন ও আর মাধাভানের সাথে পর্দায় জুটি বেঁধেছিলেন। পরবর্তীতে তাঁকে স্ট্যালিন ছবিতে বিশেষ চরিত্রে দেখা যায় মেগা তারকা চিরঞ্জীবীর পাশে এ আর মুরুগাদোসএর পরিচালনায়, যা তাঁর প্রথম তেলুগু ডাইরেক্টরিয়াল ড্যাবু।

Writer: রাহাতুল ইসলাম

About the author

Shiuly

Leave a Comment