হ্যাকিং প্রশিক্ষন ২০১৯

ব্যাসিক হ্যাকিং অধ্যায় ৫

                                 ব্যাসিক হ্যাকিং অধ্যায় ৫

                          সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং 

 

 আপনি কোন মেয়ের সাথবে দু- নম্বরি ( সহজ বাংলায় বললাম কিছু মনে করবেন না)। করলে সেটা হবে সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং । নিজের কাজের জন্য অপরের কাছে মিথ্যা বল্লেও সেটা হবে সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং । মূলত নিজের কাজ সেস করার জন্য অপরের কোন রূপ ক্ষতিসাধন করাকেই সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বলে ।

আপ্নার বন্ধুর একাউন্ট হ্যাক করতে চাইলে Forget password এ ক্লিক করলেই সাধারন কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েই আপনি হ্যাক করতে পারেন । কারন মানূষ ঐ সকল জায়গায় কিছু সাধারন প্রশ্নই বেছে নেয়, আর আপনি আপনার বন্ধুর সাধারনত আছেই এমনকি অনেক গোপন তথ্যই জানেন, তাই নয় কী? তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং একটি গুরুত্তপুর্ন বিষয়।

যখন টেলিফোন প্রথম আবিষ্কার হয় তখন বিশ্বের প্রথম হ্যাকার টেলিফোনের ব্যবহার বিঁধি খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষন করল । সে দেখল যে যখন আমরা কাউকে কলদেই তখন এই কলটি প্রথমে টেলিফন অফিসে যায় পরে কাঙ্খিত ব্যাক্তিটির কাছে যায় । তখন হ্যাকার কিছু চকলেট তৈরি করে তাদের পকেটে রাখলো আর সাথে রাখলো একটি বাশি । সে এই বল্ল যে , চকলেট এর সাথে এটা একটা গিফট । এবার মানুষেরা এবং তাদের বাচ্চারা বাশি গুওল দ্বারা সুর তুলতে লাগল যার ফলে সৃষ্টি হল একধইরনের তরঙ্গ , যা টেলিফন সার্ভার এর তরঙ্গের মত। এটাই পরবর্তীতে হ্যাকারদের সারা বিশ্বে বিনা মুল্লে কল করতে সাহায্য করল ।

সম্পর্ক প্রক্রিয়াটি লক্ষ করুন। সে সুধু নিজের চিন্তা কাজে লাগালো এবং একতি ছোত বাশি তৈরী করলো । তাহলে দেখুন সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং খুব ই গুরুত্ত পুর্ন । আপনি কোন কিছুকে বড় করতে হলে সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাহায্য ব্যাতিত সম্ভব নয় ।

আপনার বন্ধুর অর্কুট একাউন্ট হ্যাকিং করতে চাইলে Forget password এ ক্লিক ক্লরলেই সাধারন কয়েক্তি প্রশ্নের উত্তর দিয়েই আপনিউ হ্যাক করতে পারেন আপনার বন্ধুর একাউন্ট । কারন মাণুষ ঐসকল জায়গায় কিছু সাধারন প্রশ্নই বেছে নেয় তাই নয় কি।, আর আপনি আপনার বন্ধুর সাধারন তো আছেই এমনকি গুরুত্তপুর্ন তথ্যু যানেবন তাই নয় কি? তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে সস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং খুব ই গুরুত্তপুর্ন ।

সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর শক্তিশালি সংজ্ঞা ;।

মানুষকর্তিক ভার্চুয়াল জগতে অযাচিক কাজ যেমন কন কর্পোরেট অফিসের NEtwork এর অফিসে প্রবেশ , তাদের অনলাইন সিকিউরিটি , ফায়ারোয়াল, একাসুন্ট ইত্যাদি নিবির ভাবে পর্যবেক্ষন করে তাতে আক্রমন করা। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যারের সাহায্য নেয়া যায় বা নিজের বানানো কোনো হার্ডওয়্যার বা কডিং ও কাজে লাগান যায়।

মনে করুন আপনার ইমেইলে এল এরকম একটি বার্তা যে, Congrats! You have got 100000 free visitor, CLICK HERE for your withdrow. এভাবে প্রতিদিন সমগ্র বিশ্বে হাজার হাজার মানুষ তাদের ক্রেডিট কার্দের তথ্য সহ বিভিন্ন গুরুত্তপুর্ন তথ্য অনলাইনে জমা দিচ্ছে আর হ্যাকিং এর শিখার হচ্ছে । সস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিম্নোক্ত কয়েকটি ভাগে বিভিক্ত ।

–>impersonation

 

—>posing as imp. user

—>3rd person approach

 

—>technical support

কম্পিঊটার ভিত্তিক সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ঃ

নিচের কয়েকটি ভাগে বিভক্ত

–>mail/im attachments

–>pop up windows

—>sweepstakes

—>spam mail

এই অধ্যায়ের এখানেই সমাপ্তি । মনে রাখবেন কন কাজ করার আগে এর সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ব্যাপার তি খুব ভালো ভাবে অনুধাবন করা উচিৎ ।

লিখেছেন ঃGOLOK

About the author

𝔾𝕆𝕃𝕆𝕂

Leave a Comment