ছোট ছোট বালু কণা, বিন্দু বিন্দু জল গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল’ তবে জীবনে প্রতিষ্ঠিত ও বড় হতে চাইলে ছোট ছোট নয় বরং বড় বড় পরিকল্পনা গ্রহণ ও ঝুঁকি নেওয়ার সাহস থাকতে হবে।কারণ ক্ষুদ্র-পরিকল্পনাকারীরা কখনও সফল হয় না।
আর এজন্য যা করতে হবে তা হল-

কর্মক্ষেত্র ও ব্যক্তিজীবনে ভারসাম্য:
কর্মজীবনে ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য গুরুত্ব বুঝে কাজ করতে হবে। প্রত্যেকেরই কাজের ভারসাম্য রক্ষা করার ধরন আলাদা।

আত্মসংযমের মাধ্যমে কাজের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। ব্যক্তিগত সময় কাটানোর ক্ষেত্রে, কাজের চাপ থাকলেও ঠাণ্ডা মাথায় কাজের গুরুত্ব যাচাই করে তারপর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

সুস্থ থাকতে: সুস্থ বা ফিট থাকা এক ধরনের মানসিক অবস্থা। যখন ‘ফিট’ থাকেন তখন মনও ভালো থাকে এবং যে কোনো কাজেই বেশ উৎসাহে করা যায়। অন্যদিকে শরীর ভালো না থাকলে সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলেও অস্বস্তি লাগে। এজন্য সুস্থ থাকার ব্যপারে চেষ্টা করে যেতে হবে।

বেশি কর্মশক্তিতে আনন্দ: শরীরচর্চায় দম বাড়ে। সাধারণ ব্যায়ামে বিরক্ত লাগলে, ইন্টারনেট থেকে ছন্দময় ব্যায়ামের কৌশল অনুসরণে শরীরচর্চা করুন। এতে সময় আনন্দে কাটার পাশাপাশি নও ভালো থাকবে।

ঝুঁকি গ্রহণ অথবা ক্ষুদ্র পরিকল্পনা: উদ্যোক্তাদের তুলনায় ক্ষুদ্র-পরিকল্পনাকারীরা কখনও সফল হতে পারে না। কারণ ক্ষুদ্র-পরিকল্পনাকারীদের নতুন ও অজানা বাধা অতিক্রম করার সুযোগ কম থাকে। অন্যদিকে, উদ্যোক্তারা তাদের মেধা ও সাহসিকতা দিয়ে অনেক দূর এগিয়ে যায়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: ধৈর্য ও অধ্যাবসায় যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার মূল চাবিকাঠি। প্রতিবার যে কোনো ঝামেলা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে উত্তেজিত না হয়ে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পরে সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *